লক্ষাদিক মরদেহ রাখার ব্যাগ প্রস্তুত করছে যুক্তরাষ্ট্র

ইউরোপের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাস সংক্রমণ মহামারি রূপ নিয়েছে। সেখানে প্রতিদিন লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় মারা গেছে পাঁচ হাজার ১৩৭ জন। ভাইরোলজি বিশেষজ্ঞদের অনুমান, যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় এক লাখ বা তার বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্পও এ তথ্য স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, জনগণ সচেতন না হলে সেখানে ২০ লাখও মানুষ মারা যেতে পারেন।পেন্টাগনের এক কর্মকতা নাম না প্রকাশ করার শর্তে রয়টার্সকে জানিয়েছেন, মার্কিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ১ লাখ মরদেহ রাখার জন্য ব্যাগ প্রস্তুতের কাজ করছে। সামনের সপ্তাহে বিভিন্ন…

যুক্সরাস্ট্রে সর্বমোট ২৩ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।গত ২৪ঘন্টায় ৮জন!!!

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় নিউইয়র্কে আটজন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিউইয়র্কে ২১ বাংলাদেশির মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। দেশটিতে সর্বমোট ২৩ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৮ মার্চ মৃত্যু হয়েছে কায়কোবাদ, শফিকুর রহমান মজুমদার, আজিজুর রহমান, মির্জা হুদা, বিজিত কুমার সাহা, মো. শিপন হোসাইন, জায়েদ আলম ও মুতাব্বির চৌধুরী ইসমত। এছাড়া মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ড্রেটয়েট সিটি ও নিউজার্সির প্যাটারসনে দুই বাংলাদেশি নারীর মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে। তাদের দুজনের বাড়ি সিলেটে বলে জানা গেছে।এক দিনে করোনাভাইরাসে এত প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে…

যে কাজ পারে সেই কাজ করে,যে কিছুই পারে না সে ভুল ধরে

করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় পুরো বিশ্ব আজ দিশেহারা। কোনোভাবেই যেন এর তান্ডব থামানো যাচ্ছে না। যেহেতু এর কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি তাই ঘরে অবস্থান করাই এখন করোনা প্রতিরোধের চিকিৎসা। অাতংক নয়, সচেতন হোন। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হতে নিষেধ দিয়েছেন মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২৬ মার্চ হতে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারন ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। দেশে অঘোষিত লক ডাউন চলছে। দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষেরা চরম কষ্টে দিনযাপন করছে। তাদের জন্য সরকার প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি খাবার পৌছে দেয়ার কাজ শুরু করেছে। সরকারের কাজের…

যারা করোনা মহামারী সম্পর্কিত সকল নিউজ, সকল সতর্কতা, রাষ্ট্রীয় বিধিনিষেধ জানার পরেও বলছেন……

COVID-19 মহামারী Vs দেশীয় ছাগল ———————————————————— ”[•] সৃষ্টিকর্তা যেদিন মৃত্যু ঘটাবে সেদিনই মৃত্যু ঘটবে [•] অতএব, অযথাই এত সতর্কতা আর বিধি নিষেধ মেনে কি লাভ?” তাদেরকে বলছি…….. আপনার প্রথম কথা নিয়ে কারো কোন সন্দেহ নাই, হ্যাঁ সৃষ্টিকর্তা যেদিন মৃত্যু ঘটাবে সেদিনই মৃত্যু ঘটবে। কিন্তু আপনার ২য় কথাটি অত্যন্ত আত্মঘাতি। দেশে সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী মানুষ আপনি ছাড়াও আরো অনেক আছে। কিন্তু আপনি তো জেনে বুঝে আপনার সৃষ্টিকর্তা ও তাঁর সৃষ্টি মানুষের সাথে ভন্ডামী ও পাপ করে চলেছেন। আপনার আমার মত ২/১ জন বান্দা দুনিয়া থেকে বিদায় নিলে জগতের কোন কিছু যায় আসে…

করোনা আক্রান্তদের নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন আইসল্যান্ডের গবেষকরা!!!!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  পৃথিবীর ঘুম কেড়ে নিয়েছে করোনা ভাইরাস। নতুন এই ভাইরাস নিয়ে গবেষণা চলছে জোরেশোরে। কিন্তু এর প্রতিষেধক পাওয়ার ক্ষেত্রে এখনো কূলকিনারা হয়নি। গবেষকদের দাবি, বৈশিষ্ট্য বদলে দিনে দিনে আরো ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে ভাইরাসটি। এরমধ্যে এই ভাইরাসে আক্রান্তদের নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন আইসল্যান্ডের গবেষকরা। সংক্রামক এই রোগের উৎস সম্পর্কে জানতে গিয়ে তারা পেয়েছেন নতুন তথ্য। ইউরোপের ছোট্ট এই দেশটির জনসংখ্যা মাত্র ৩ লাখ ৬৪ হাজার। এজন্য কোনো লকডাউন বা কারফিউ চাপিয়ে না দিয়ে দেশের সব জনগণের করোনা টেস্ট করার সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশটির সরকার। আর সেই কাজটি করতে গিয়েই উঠে…

বেলজিয়ামের সর্ব কনিষ্ট করোনা রোগীর মৃত্যু!!!!

৩০ বছর বয়সী টগবগে এক তরুনী ইসোরা কাসটারম্যান । নিজের মত করে জীবন সাজানোর জন্য মাত্র ২ মাস আগেই বন্ধু (Boy friend ) কে নিয়ে বসবাস শুরু করেছিলেন ইসোরা।কিন্তু গত বৃহস্পতিবার Genk শহরের এর একটি হাসপাতালে করোনা র কাছে পরাজিত হতে হলো হাস্যেজ্জল এই মেয়েটিকে । মাত্র দুমাস আগেই ইসোরা থাকত তার মা বাবার সাথে। কাজ করত একটি বৃদ্ধাশ্রমে একজন নার্স হিসেবে । করোনা কে প্রকৃতির একটি বিপর্যয় হিসেবে মেনে নেওয়া ইসোরা মৃত্যু কে কখনই ভয় পেতেন না বলে জানালেন তার ৬২ বছর বয়সী বাবা ইউহান । আর তাইতো তিনি…

যুক্তরাস্ট্রে করোনা ভাইরাসের অস্থিরতায় অস্ত্র বিক্রি কয়েকগুন বেড়েছে !!!!

করোনা ভাইরাসের প্রদুর্ভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থা দিন দিনি খারাপ হচ্ছে। ইতোমেধ্যে দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখছাড়িয়েছে। পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে গত দুই সপ্তাহে অস্ত্র বিক্রি বেড়েছে ৮০০ গুণ। করোনা মহামারীতে কেন্দ্রকরে দেশটিতে সামাজিক অস্থিরতা, লুট-পাট এবং হাঙ্গামা বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেই দেশটির নাগরিকরা অস্ত্র ক্রয়ের হিড়িকতুলেছেন। ওকলাহোমার ডগস গানস এবং তুলসার অ্যামো এবং রিলোডিংয়ের মালিক ডেভিড স্টোন জানান, আগের চেয়ে অস্ত্র বিক্রিকয়েকগুণ বেড়েছে।  প্রায় ৮০০ গুণ অস্ত্র বিক্রি করা হয়েছে এই কয়েকদিনে। এখন অস্ত্র ফুরিয়ে যায় নাই তবে আমাদের অস্ত্রফুরিয়ে যাবে। তিনি আরও জানান, করোনা ভাইরাস অবনতির সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সব ক্রেতা তড়িঘড়ি করে অস্ত্র কিনতে ছুটে আসছে।তারা সবাই জীবনের প্রথম অস্ত্র কিনছেন। আর হাতের কাছে যে অস্ত্র পাচ্ছে তাই তারা কিনে নিচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের অনেক অস্ত্র দোকানের মালিক রাতারাতি চাহিদা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রত্যেকে আলাদা আলাদা মত দিচ্ছেন।তারা মনে করছেন, করোনা ভাইরাসের কারণে অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিতে পারে। আমেরিকা জুড়ে অস্থিরতা বাড়তে পারে।তাই নিজেদের আত্মরক্ষার কারণে অস্ত্র কিনছেন তারা। যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মারাত্মক প্রকোপ পড়েছে যে সব অঙ্গরাজ্য অন্যতম ওয়াশিংটন। এ অঙ্গরাজ্যের লেনউড গানের মালিকটিফ্যানি টিসডেল বলেন, আগে আমরা দিনে ২০ থেকে ২৫ টি অস্ত্র বিক্রি করতাম। এখন দিনে গড়ে দেড়শটি অস্ত্র বিক্রিকরছি। শটগান, হ্যান্ডগান কিনছেন অনেকেই আর অনেকেই কিনছেন আধা স্বয়ংক্রিয় এআর১৫। তিনি আরও জানান, ক্রেতারা দোকান খোলার এক ঘণ্টা আগে থেকেই অস্ত্র কেনার জন্য লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। তার ক্রেতাদেরমধ্যেই অনেকেই প্রথম অস্ত্র কিনছে তাই তাদের সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিতে হচ্ছে। এ ছাড়া, অস্ত্র কি করে ব্যবহার করতে হয় তাওদ্রুত শিখিয়ে দিতে হচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়া, নিউ ইয়র্ক, ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্য, আলবামা এবং ওহাইওসহ গোটা যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্রের বিক্রির হার বাড়ছে। এভরিটাউন ফর গান সেফটির সভাপতি জন ফেইনব্ল্যাট বলেন, করোনা’র প্রকোপের মুখে অস্ত্র যুক্তরাষ্ট্র কোনো নিরাপত্তা দেবেনা। যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন  ১ লাখ ৪ হাজার জন। মারা গেছেন ১ হাজার ৭ শ জন। এছাড়াও বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে মারা গেছেন ২৭ হাজার ৩৬০জন। আক্রান্ত হয়েছেন ৫ লাখ ৯৭ হাজার জন। সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৩১ হাজার মানুষ। সূত্র: পার্স টুডে

হাদীছ থেকে করোনা ভাইরাসের ঔষধ পাওয়া গেছে।

ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন বিধান। কিয়ামত পর্যন্ত মানুষ যত সমস্যার সম্মুখীন হবে তার সমাধান দেয়া আছে কুরআন ও হাদীছে। গবেষণা করে সে সমাধান বের করতে হয়। অনুরূপ ভাবে অতিসম্প্রতি কালের ভয়াবহ মহামারী করোনা ভাইরাসের ঔষধের কথা বলে গেছেন রাসূল (ছা:) আজ থেকে সাড়ে চোদ্দশ বছর পূর্বে। রাসূল (ছা:)বলেছেন, -ماانزل الله دائ الا أنزل الله شفاء আল্লাহ এমন কোন রোগ পাঠাননি যার আরোগ্যের ব্যবস্হা দেননি।বুখারী হা/৫৬৭৮ করোনাভাইরাসের সাধারণ উপসর্গ ৪টি। যথা ১.জ্বর। ২.সর্দি/হাঁচি। ৩.শ্বাসকষ্ট/ কাঁশি। ৪.সর্বশেষ পাতলা পায়খানা। ১.জ্বরের চিকিৎসা সম্পর্কে রাসূল (ছা:) বলেছেন- الحمى من فيح جهنم فاطفئوها بالمائ জ্বর…

“আলোর মেলা বয়েজ ক্লাব” কিশোরগঞ্জ ও করোনা ভাইরাস!!!

আমি আলোর মেলার একজন স্হায়ী বাসিন্দা,বর্তমানে প্রবাসি।আজ সকালে হঠাৎ করে আমার মেসেন্জারে “আলোর মেলা বয়েজ ক্লাব “ নামে একটি মেসেন্জার গ্রুপ এড হলো।এলাকার এক ছোটভাই লিংকন আমাকে মেসেন্জারে এড করেছে দেখলাম।মেসেন্জারের ভিতরে ডুকে তাদের কার্যক্রম দেখে আমার খুবই ভাল লাগলো।যুবক ছেলে মেয়েদের এমনই হওয়া উচিত।১৯৭১সালে যেভাবে দেশ স্বাধীন করার জন্য মুক্তিযাদ্ধে সবাই ঝাপিয়ে পরেছিল,আজ দেশের এই করোনা ভাইরাসের ভয়াবহ ছোবলের হাত থেকে দেশের মানুষকে রক্ষা করার জন্য আলোর মেলা এলাকার যুবক ছেলেরা যে জনসচেতনতা ও জনসেবার কাজ করে যাচ্চে,তা সত্যিই অনেক প্রশংশনীয় । তাদের এই জনসেবা দেখে ব্যক্তিগত ভাবে আমি সত্যিই অনেক গর্বিত যে,এখনো বর্তমান সময়ে এলাকার ছেলেরা এত ভালকাজ করে যাচ্চে। এভাবে আমাদের আলোরমেলার ছেলেদের মতো যদি সব এলাকার ছেলেরা ও সমগ্র বাংলাদেশের এলাকা ভিত্তীক ছেলেরা নিজ এলাকায় জনসচেতনতামূলক  কাজ করে যায়,তাহলে আমরা এই ভয়াবহ করোনা ভাইরাসের প্রভাব থেকে কিছুটাহলেও রক্ষা পেতাম। আমি আশা রাখি সমাজের বিত্তবান লোকেরা এলাকার ছেলেদের করা সেচ্চাসেবক কার্যক্রমে স্বত্বসফুর্ত ভাবে সহযোগিতা করবেন।আমি আমার সাধ্যমত আলোর মেলা বয়েজ ক্লাবের জনসচেতনতা মুলক কাজে সাহায্য ও সহযোগিতা করার চেস্টাকরে যাবো,এলাকার ছেলে হিসেবে। বি:দ্র: সমস্ত দুনিয়ায় করোনাভাইরাস বুক ফুলিয়ে দাপটের সংগে দাবিয়ে বেড়াচ্চে।কারও যেন কিছুই করার নেই।আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে হেফাজত করেন :- আমিন। মাসুম শিকদার,বেলজিয়াম

মানবতা আজ বিপর্যয়ের মূখে…

লেখক: রাবিউল ইসলাম মৃদুল :মনে আছে.. মুক্তিযুদ্ধের সময় কত নারী খানসেনাদের হাত থেকে অচেনা একজন সমবয়সী মুক্তিযোদ্ধাকে বাঁচানোর জন্য, নিমেশেই স্বামী বানিয়ে শুয়ে থাকতো। মনে আছে… একজন মা কিভাবে নিজে না খেয়ে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে খাওয়াতো।। সময় এসেছে বন্ধুগন, আজ সমাজের যে, যে অবস্থানেই থাকি না কেনো, সেখান থেকেই আজকের করোনা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে, অবদান রাখার। কি করবেন????? কেউ বলে দিবে না বন্ধু, সুদ্ধ বিবেক দিয়ে চিন্তা করুন… সকল সাবধানতা অবলম্বন সাপেক্ষে… আপনার কি করার আছে…… আমি আমাকে দিয়ে একটি ছোট্ট উদাহরন রাখতে চাই… আমার বাসায় এই লকডাউন অবস্থায়ও গোটা দশজন ব্যচেলর…